স্ত্রী পরকীয়া জড়িয়েছে। ইসলামী বিধান কী? কীভাবে আইনি প্রতিকার পাব?

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ  তা ‘আলা বলেন, আমি প্রত্যেকটি প্রাণী জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি। সুরা নাবা-০৮।স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক পবিত্র সম্পর্ক।  কিন্ত লোভের মোহে হোক বা অন্য কোন কারনে হোক স্ত্রী জড়িয়ে যায় পরকীয়ায়  যা স্বামীর জীবনে তিক্ততার সৃষ্টি করে।


পরকীয়ার  ইসলামী বিধান

আল্লাহ  তা ‘আলা বলেন, তোমরা জিনার ধারে কাছেও যেয়ো না এটা গর্হিত অপরাধ। ইসলামে অবৈধ্য যৌন  সম্পর্ক প্রধানত দুই প্রকার-১. জিনা   ২. ব্যাভিচার। অবিবাহিত নারী-পুরুষের  অবৈধ্য যৌন সম্পর্ককে ব্যাভিচার বলে । বিবাহিত নারী-পুরুষের  অবৈধ্য যৌন সম্পর্ককে জিনা বলে। ব্যাভিচারেরে শাস্তি দুই জনকেই ১০০ বেত্রঘাত করতে হবে। জিনার ক্ষেত্রে  মহিলা এবং পুরুষকে পাথর নিক্ষেপ করে মেরে ফেলতে হবে। বিস্তারিত এইখানে দেখুন-

আইনে কী বলা আছে?

দণ্ডবিধির  ৪৯৭ ধারা অনুযায়ী পরকিয়া একটি অপরাধ যার শাস্তি ৫ বছর জেল-জরিমানা। তবে আপনার বউ কোন দোষী হবে না। আপনার বউয়ের সাথে যে পরকীয়ায় লিপ্ত সেই পুরুষ দোষী হবে এবং শাস্তি পাবে।


এখন উপায়:

আপনার  ওয়াইফ পরকীয়ায় আসক্ত আপনার নিজস্ব কোন দোষের কারনে নয় তো? তাহলে নিজে সংশোধন হোন। আপনার যদি কোন মেডিক্যাল সম্যস্যা থাকে তাহলে ডাক্তারের কন্সালটেন্সি নিন। আর যদি তার সমস্যা থাকে তাকে বুঝান  এবং মিউচুয়াল করে নিন। কারন আপনার বাচ্চারা অসহায় হয়ে পরবে। যদি সে না বোঝে তাহলে ব্যবস্থা নিন। 

দেখুন এটা  মেনে নেয়া খুব  কষ্টকর। প্রমাণের জন্য তাকে হাতেনাতে ধরার চেষ্টা করুন। ও কিছু বুঝে ওঠার আগেই তালাক দিয়ে দিন। তা না হলে ভরণপোষনের মামলা, যৌতুক মামলা, দেনমোহরের মামলা দায়ের করতে পারে।




মো. নুর আলম (রাজু) 
অ্যাপ্রেন্টিস লইয়ার, 
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, ঢাকা। 
অ্যাডভোকেট, ঢাকা ও নীলফামারী জেলা জজ আদালত। 
Whatsapp: +8801786792732 
------------------------------------------------------------------------ 
[আইন বিষয়ক আলোচনার উদ্দেশ্য সাধারণ পাঠকদের অবহিত করা যা উকিল পরামর্শের বিকল্প না। আইন সংক্রান্ত সমস্যা জন্য সরাসরি আইনজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত]

No comments

Powered by Blogger.